sasthoseba.com

First Health News site in Bangladesh

স্ত্রীর দুধ খাওয়া হালান না হারাম ?

জবাব: স্ত্রীর স্তন ধরা ও চোষন করা স্বামীর জন্য বৈধ, আর চোষন করতে গিয়ে যদি স্বামীর পেটে স্ত্রীর দুধ চলে যায় তাতে বিবাহের মাঝে কোন ধরনের সমস্যা হবে না। কেননা কোরআন সুন্নাহর আলোকে এটিকে হারাম বলা হয়নি। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবে স্ত্রীর দুধ পান করা মাকরুহ থেকে খালি নয়। নিন্মে সব উক্তিগুলোর প্রমাণ পেশ করা হলো।
যেমন দেখুন মহান সত্তার বাণী :

{ نِسَاؤُكُمْ حَرْثٌ لَكُمْ فَأْتُوا حَرْثَكُمْ أَنَّى شِئْتُمْ} [البقرة: ٢٢٣ ]

অথাৎ : তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদরেকে ব্যবহার কর। (সূরা বাকারা-২২৩)

ব্যাখ্যা : উক্ত আয়াতের মাঝে মহান আল্লাহ স্বামী স্ত্রীর সংঙ্গমের আলোচনা করতে গিয়ে স্ত্রির স্তন ধরা, চোষন করা ও ভুল বষত: দুধ পান করা ইত্যাদিকে হারাম বলেন নি বরং বলেছেন তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর। তদ্রুপ পবিত্র কোরআনের এই আয়াতের ব্যাখ্যা স্বরূপ রাসূল (সা.) এর হাদীসের মাঝেও উল্লেখিত বিষটি সম্পর্কে কোন নিষেধাজ্ঞা পাওয়া যায় না।

বরং হাদীসের মাঝে আছে-

صحيح مسلم (١/٢٤٦)   اصْنَعُوا كُلَّ شَيْءٍ إِلَّا النِّكَاحَ —–

হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) কে মাসিক অবস্থায় স্ত্রির সাথে কি কি বৈধ? এ প্রশ্নের জবাব রাসূল (সা.) বললেন, তোমরা সব কিছুই করতে পারবে সহবাস ব্যতীত। মুসলিম হাদীস-৩০২।

উক্ত হাদীসের মাঝেও রাসূল (সা.) স্ত্রীর স্তন ধরা ও চোষন ইত্যাদিকে নিষেধ করেন নি।

আর চোষন করতে গিয়ে যদি স্বামীর পেটে স্ত্রীর দুধ চলে যায় তাতে বিবাহের মাঝে কোন ধরনের সমস্যা হবে না।

কেননা মহান আল্লাহ ও রাসূল (সা.) দুধ পান করানো দ্বারা একজন অন্য জনকে বিবাহ করা হারামের যে বিধান আরোপ করেছেন, তা শুধু মাত্র শিশুবেলার সাথে সম্পর্ক। দেখুন এসম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন-

وَأُمَّهَاتُكُمُ اللَّاتِي أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ مِنَ الرَّضَاعَةِ – النساء : ٢٣

অর্থ : তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে যারা তোমারেদকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ বোন……… (সূরা নিসা-২৩)

আর সহীহ বুখারীর বর্ণনার মাঝে এসেছে-

صحيح البخاري (٣  /١٧٠)

٢٦٤٥ -حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ جَابِرِ بْنِ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي بِنْتِ حَمْزَةَ: «لاَ تَحِلُّ لِي، يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعِ مَا يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ، هِيَ بِنْتُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ    –

হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) হযরত হামজা (রা.) এর কন্যাকে বিবাহের বিষয়ে রাসূল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, তাকে বিবাহ করা তোমার জন্য বৈধ না। কেননা দুধ পান করার দ্বারা যেমন বিবাহ হারাম হয়, তেমনি বংশের কারণেও হারাম হয়, আর হামজা (রা.) এর কন্যা তোমার দুধ বোন। বুখারী-৩/১৭০, হাদীস-২৬৪৫।

শিশু বয়সে দুধ পান করানো দ্বারা শুধু মাত্র বিবাহ বন্ধন হারাম হয়, এর সময় সিমা বর্ণনা দিতে গিয়ে, মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন-

وَالْوَالِدَاتُ يُرْضِعْنَ أَوْلَادَهُنَّ حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَنْ يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ  -البقرة : ٢٣٣

অর্থ: আর সন্তানবর্তী নারীরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর দুধ খাওয়াবে, যদি দুধ খাওয়াবার পূর্ণ মেয়াদ সমাপ্ত করতে চায়। সূরা বাকারা-২৩৩।

উল্লেখিত আলোচনা দ্বারা আমরা স্পষ্ট যে, শিশু কাল তথা যে সময়ের কথা পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ঐ বয়সে বিবাহ বা স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক কোথাও দেখা যায় না। অতএব স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করা দ্বারাও বিবাহের মাঝে কোন সমস্যা হবে না।

এখন আমরা এমন কিছু হাদীস দেখবো যার মাঝে সরাসরি স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করেছেন বলে উল্লেখ রয়েছে, এবং তাতে রয়েছে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর সমাধানও। দেখুন হাদীসটি –

السنن الكبرى للبيهقي (٧٥٨/ ٧ )

١٥٦٥٣ – أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَارِثِ الْفَقِيهُ، أنا عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ الْحَافِظُ، أنا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، نا خَلَّادُ بْنُ أَسْلَمَ، نا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، نا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، نا أَبُو مُوسَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنٍ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ رَجُلًا كَانَ مَعَهُ امْرَأَتُهُ وَهُوَ فِي سَفَرٍ فَوَلَدَتْ فَجَعَلَ الصَّبِيُّ لَا يَمُصُّ فَأَخَذَ زَوْجُهَا يَمُصُّ لَبَنَهَا وَيَمُجُّهُ حَتَّى وَجَدَ طَعْمَ لَبَنِهَا فِي حَلْقِهِ فَأَتَى أَبَا مُوسَى فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ ” حُرِّمَتْ عَلَيْكَ امْرَأَتُكَ ” , فَأَتَى ابْنَ مَسْعُودٍ فَقَالَ: أَنْتَ الَّذِي تُفْتِي هَذَا بِكَذَا وَكَذَا وَقَدْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” لَا رَضَاعَ إِلَّا مَا شَدَّ الْعَظْمَ وَأَنْبَتَ اللَّحْمَ ”

অর্থাৎ : আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এর ছেলে থেকে বর্ণিত, একদা এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে নিয়ে সফরে বের হলেন আর ঐ সফরের মাঝে তাদের একটি সন্তান জন্ম নেয়। ঐ সন্তান দূর্বল হওয়ার কারণে তার মায়ের দুধ পান করার মত শক্তি ছিল না। অতপর স্বামী তার স্ত্রীর দুধ চোষন করে সন্তানের মুখে দিতেন। এভাবে চোষন করতে গিয়ে স্বামী তার স্ত্রীর দুধ পান করার স্বাদ অনুভব করেন। সফর থেকে ফিরে আসার পর এ ঘটনা হযরত আবূ মুসা (রা.) কে বর্ণনা করলেন, হযরত আবূ মুসা (রা.) বললেন, তোমার স্ত্রী তোমার উপর হারাম হয়ে গিয়েছে! অথাৎ বিবাহ সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। ঐ লোকটি পুনরায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এর কাছে এসে আবূ মূসা (রা.) এর উক্ত ফাতওয়াটি বর্ণনা দিলে তিনি বলেন, কি করে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে? অথচ রাসূল (সা.) বলেছেন প্রাপ্ত বয়স্ত হওয়ার পর দুধ পান করার দ্বারা কোন সমস্যা হয় না।

(মুলকথা– হযরত আবূ মূসা (রা.) এর মতটির উপর ফাতওয়া নয়, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এর ফাতওয়াটিই ছিল সঠিক অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করার দ্বারা তাদের সম্পর্কের মাঝে কোন সমস্যা হবে না, কেননা ‍শিশু বয়সে দুধ পান করার দ্বারা বিবাহ নিষিদ্ধ হয়, প্রাপ্ত বয়সে নয়)।

অন্য একটি বর্ণনায় আছে এর পর থেকে কখনো হযরত আবূ মুসা (রা.) কোন মাসয়ালা জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন, তোমাদের মাঝে রয়েছে হিবারগণ তথা আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এর ন্যায় সাহাবীগণ, তোমরা তাদের থেকে জিজ্ঞাসা কর।

(এখান থেকেও সাহাবীদের যুগে তাকলীদ বা ফিকহ সম্পর্কে বিজ্ঞ সাহাবীদের অনুস্বরনের দলীল মিলে, যদিও সালাফী ভাইগণ একথা মানতে রাজি নন)

এই হাদীসটির কয়েকটি সনদে বর্ণিত হয়েছে, হাদীসটি হাসান তথা প্রমাণযোগ্য, আর তাছাড়াও এর সমর্থনে  কোরআন ও অন্য অন্য হাদীসেও রয়েছে। পক্ষান্তরে এর বিরোধি কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না।

প্রমাণ সূত্র: সুনানুল কোবরা লিল বায়হাকী-৭/৭৫৮ হাদীস-১৫৬৫৩, সুনানে দারা কুতনী-০৫/৩০৫ হাদীস-৪৩৬১, আবূ দাউদ-২/২২২ হাদীস-২০৫৯, মুসনাদে আহমদ-৪/১৪৭, হাদীস-৪১১৪, আল বাদরুল মনীর-০৬/২৭০, ইরওয়াউল গালীল লিল আলবানী-৭/২২৩, হাদীস-২১৫৩ ইত্যাদি

এখন দেখুন এবিষয়ে অন্য একটি হাদীস-

السنن الكبرى للبيهقي (٧/٧٦٠ )

١٥٦٦٠ – وَأَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ بِشْرَانَ بِبَغْدَادَ، نا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ، نا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ، نا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: عَمَدَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الْأَنْصَارِ إِلَى جَارِيَةٍ لِزَوْجِهَا فَأَرْضَعَتْهَا، فَلَمَّا جَاءَ زَوْجُهَا قَالَتْ: إِنَّ جَارِيَتَكَ هَذِهِ قَدْ صَارَتِ ابْنَتَكَ فَانْطَلَقَ الرَّجُلُ إِلَى عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ لَهُ عُمَرُ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ: ” عَزَمْتُ عَلَيْكَ لَمَا رَجَعْتَ فَأَصَبْتَ جَارِيَتَكَ وَأَوْجَعْتَ ظَهْرَ امْرَأَتِكَ ” وَفِي رِوَايَةِ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ فَإِنَّمَا الرَّضَاعَةُ رَضَاعَةُ الصَّغِيرِ

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন একদা এক আনসারী ব্যক্তি তার বাদীকে বিবাহ করার ইচ্ছে পোষন করলেন, তখন ঐ আনসারির স্ত্রী ঐ বাদীটিকে তার দুধ পান করিয়ে দেন (যাতে করে তার স্বামী বিবাহ করতে না পারে) যখন আনসারী ঘরে ফিরে আসলো তখন তার স্ত্রী বললো এই বাদি তোমার মেয়ে হয়ে গিয়েছে, কেননা আমি তাকে আমার দুধ পান করিয়ে দিয়েছি। অতপর ঐ আনসারী হযরত উমর (রা.) এর কাছে গিয়ে উক্ত ঘটনার বর্ণনা দেন, তখন হযরত ওমর (রা.) দৃঢ়তার সাথে বলেন, তুমি ফিরে যাও তোমার বাদী পুর্বের ন্যায় তোমার বাদী হিসেবেই আছে (তোমার মেয়ে হয়নি অর্থাৎ তুমি তাকে বিবাহ করতে পারবে) আর তোমার স্ত্রীর কথা প্রত্যাখিত। অন্য বর্ণনায় আছে শিশু বয়সে দুধ পান করানো দ্বারা শুধু বিবাহ বন্ধন নিষিদ্ধ হয়। আস সুনানুল কোবরা লিল বায়হাকী-৭/৭৬০, মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৭/৪৬১, হাদীস-১৩৮৯০ ।

সন্মানিত পাঠক বিন্দু : উক্ত হাদীস দ্বারাও আমরা সুস্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারলাম যে শিশু বয়স ছাড়া প্রাপ্ত বয়সে দুধ পান করার দ্বারা কখনও বিবাহ বন্ধনে সমস্যা হয় না, যা সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর ফয়সালা দ্বারা সুস্পষ্ট। অতএব স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করার দ্বারাও বিবাহ বন্ধনে কোন সমস্যা হবে না।

আর  ইচ্ছাকৃত ভাবে স্বামী স্ত্রীর দুধ পান করা মাকরুহ। কেননা মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন-

وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ  – الإسراء :٧٠

অর্থাৎ, আমি বনি আদমকে বানিয়েছি সন্মানি। সূরা ইসরা-৭০

ব্যাখ্যা: বনি আদমকে সন্মানি বানানো দ্বারা তার প্রত্যেক অঙ্গকেই বুঝানো হয়েছে, আর কোন সন্মানি বস্তুকে তার ক্ষেত্রে ছাড়া ব্যবহার করা সন্মানের পরিপন্থী তথা মাকরুহ বা অপছন্দনীয়।

অতএব, মহান আল্লাহ মায়ের মাঝে তার কুদরত দ্বারা দুধ সৃষ্টি করেছেন এবং এর ক্ষেত্র নির্ধারণ করেছেন এক মাত্র সন্তানদেরকে আর এটিই হলো তার ব্যবহারের প্রকৃত স্থান। তাই স্বামী স্ত্রীর দুধ ইচ্ছাকৃত ভাবে পান করা সন্মানি বস্তুকে তার বিপরীত স্থানে প্রয়োগ করা যা মাকরুহ বা অপছন্দনীয়।

উল্লেখ্য যে, সহীহ মুসলিমের একটি বর্ণনা অনুসারে প্রাপ্ত বয়সের মাঝেও দুধ পান করার দ্বারা বিবাহ নিষিদ্ধ হওয়া বুঝা যায় । তার জবাব স্বরুপ আল্লামা নববী (রহ.)সহ একাধিক মুহাদ্দীসগণ বলেন, রাসূল (সা.) অধিক প্রয়োজনের দিকে লক্ষ্য করে শুধু হযরত সাহল এবং সালেম (রা.) এর ক্ষেত্রে এই ধরনের বিধানের কথা বলেছেন, যা অন্য কোথাও প্রয়োগ করা যাবে না। এ বিষয়ে সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ী তবয়ে তাবেয়ীনদের মাঝেও ঐক্য রয়েছে। নিন্মে হাদীস ও ব্যাখ্যাগুলো পেশ করা হলো।

شرح محمد فؤاد عبد الباقي –

ش (سهلة بنت سهيل) اختلف العلماء في هذه المسألة فقالت عائشة وداود تثبت حرمة الرضاع برضاع البالغ كما تثبت برضاع الطفل لهذا الحديث وقال سائر العلماء من الصحابة والتابعين وعلماء الأمصار إلى الأن لا يثبت إلا بإرضاع من له دون سنتين إلا أبا حنيفة فقال سنتين ونصف واحتج الجمهور بقوله تعالى والوالدات يرضعن أولادهن حولين كاملين لمن أراد أن يتم الرضاع وبالحديث الذي ذكره مسلم بعد هذا إنما الرضاعة من المجاعة وحملوا حديث سهلة على أنه مختص بها وبسالم وقد روى مسلم عن أم سلمة وسائر أزواج رسول الله صلى الله عليه وسلم أنهن خالفن عائشة في هذا (أرضعيه) قال القاضي لعلها حلبته ثم شربه من غير أن يمس ثديها ولا التقت بشرتاهما وهذا الذي قاله القاضي حسن ويحتمل أنه عفي عن مسه للحاجة كما خص بالرضاعة مع الكبر

صحيح مسلم ……

حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالَا: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: جَاءَتْ سَهْلَةُ بِنْتُ سُهَيْلٍ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَتْ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنِّي أَرَى فِي وَجْهِ أَبِي حُذَيْفَةَ مِنْ دُخُولِ سَالِمٍ وَهُوَ حَلِيفُهُ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَرْضِعِيهِ»، قَالَتْ: وَكَيْفَ أُرْضِعُهُ؟ وَهُوَ رَجُلٌ كَبِيرٌ، فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: « قَدْ عَلِمْتُ أَنَّهُ رَجُلٌ كَبِيرٌ»، زَادَ عَمْرٌو فِي حَدِيثِهِ: وَكَانَ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا، وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ: فَضَحِكَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সঠিক দ্বীন বুঝে আমল করার তাওফীক দান করুন। আমীন

(উত্তর প্রদানে- মুফতী মো. ছানা উল্লাহ)

আশা করি আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন। অন্যকে জানাতে শেয়ার করুন।

Updated: March 26, 2017 — 9:28 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sasthoseba.com © 2014 Sasthoseba